উৎসবের মরশুমেও জলবন্দি মেদিনীপুর শহরের একাংশ, প্রশাসন উদাসীন! - onlinewebsite24

Wednesday, October 20, 2021

উৎসবের মরশুমেও জলবন্দি মেদিনীপুর শহরের একাংশ, প্রশাসন উদাসীন!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর আগেই প্রবল বর্ষণের জেরে মেদিনীপুর শহরের মহানালার জল উপচে জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল মেদিনীপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাংশ। তারপর থেকে এখনও জল নামেনি। প্রায় একমাস ধরে জলবন্দি অবস্থায় রয়েছেন ওই ওয়ার্ডের দুই শতাধিক মানুষ। অনেকের ঘরের ভিতরেও জল ঢুকে গিয়েছে। অথচ প্রশাসনের ভ্রুক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ। দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2021) পর লক্ষ্মীপুজোতেও (Lakshmi Puja) জল-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি না পাওয়ায় পুর প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের পালবাড়ি এলাকা তুলনামূলক নীচু এলাকা। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই মহানালার জল উপচে গিয়ে জলমগ্ন হয়ে পড়ে ওই এলাকা। দুর্গাপুজোর আগে প্রবল বর্ষণের ফলে মহানালার জল উপচে পালবাড়ি এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। এখনও তার থেকে মুক্তি মেলেনি। ফলে কার্যত জলবন্দি অবস্থায় রয়েছে ওই এলাকার অন্তত ২০০টি পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রথম দু-দিন পুরসভার উদ্যোগে দমকল পাঠিয়ে, পাম্প লাগিয়ে বেশ কিছুটা জল নদীতে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ফের বৃষ্টিতে এলাকায় জল বেড়ে যায়। ফলে লক্ষ্মীপুজোতেও জলবন্দি এলাকাবাসী। রীতিমত প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ঝর্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘ঘরে পর্যন্ত জল ঢুকে গিয়েছে। ঘরে থাকার জায়গা নেই। অনেকদিন লোকের ঘরে ছিলাম। তবু প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। কেউ এসে খোঁজ নেয়নি। সৌমেনদা (মেদিনীপুর পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন) একবারও দেখতে আসেননি।’ একইভাবে এলাকার যুবক অরূপ আচার্য বলেন, ‘কেবল দু-দিন প্রশাসনের তরফে দমকল ও পাম্প দিয়ে জল নিষ্কাষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের কেউ আসেনি।’ এদিকে, পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের জল-যন্ত্রণার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন মেদিনীপুর পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন সৌমেন খান। তিনি বলেন, ‘একদিকে এই এলাকা অপেক্ষাকৃত নীচু। পাশাপাশি সঠিক নিয়ম মেনে বাড়ি না তৈরি করায় এখনও পর্যন্ত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে এলাকা।’ এপ্রসঙ্গে এলাকাবাসীর পাল্টা প্রশ্ন, বেআইনি বাড়ি হলে পুরসভা কেন প্ল্যান দিয়েছিল, তৈরির সময় কেন বাধা দেয়নি? পুর প্রশাসক অবশ্য এর কোনও জবাব দেননি। তবে এলাকায় নিকাশি সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন সৌমেন খান। কীভাবে ওই এলাকা থেকে জল নিষ্কাশন করা যায় সে ব্যাপারে ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে কতদিনে ভাবনা-চিন্তা বাস্তবায়িত হয় এবং এলাকাবাসী জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায় সেটাই এখন দেখার!


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3jlHPEl
via IFTTT

No comments:

Post a Comment