এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটি মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ২৫০টি কুকুরছানাকে হত্যা করেছিল একদল হনুমান। এবার একটি হনুমানকে মারল একদল ! প্রথম ঘটনাটি ছিল মহারাষ্ট্রের। তবে এবারে আরামবাগ এলাকায় হনুমান-কুকুরের যুদ্ধ দেখা গেল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই একটি হনুমান তিলকচক গ্রামে ঘুরছিল। সে অসুস্থ ছিল দাবি এলাকাবাসীর। শনিবার আচমকাই ওই হনুমানটির উপর চড়াও হয় একদল কুকুর। প্রথমদিকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও, পরবর্তীতে হার মেনে নিতে বাধ্য হয় ওই হনুমানটি। কুকুরগুলি তাকে ক্রমাগত কামড়ানোর ঠেলায় সে পুকুরে ঝাঁপ মারে। এলাকার লোকজন হনুমানটিকে উদ্ধার করার আগেই মৃত্যু হয় তার। এদিন তাকে সমাধিস্থ করে গ্রামবাসী। পাশাপাশি, ওই হনুমানের একটি মন্দির গড়ার দাবিও জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।। গত বছর ডিসেম্বর মাসেই মহারাষ্ট্রের বিড জেলায় ও কুকুরদের মধ্যে গ্যাংওয়ার বেঁধেছিল। তিনমাস ধরে ওই যুদ্ধ চলে। কিন্তু, কেন? জানা গিয়েছিল, মাজলগাও এলাকার একদল বানর ওই সময়ের মধ্যে প্রায় ২৫০টি কুকুর শাবককে হত্যা করেছিল। তারা ওই ছানাগুলিকে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল বলে খবর। সারমেয়রা অবশ্য শাবকদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু, বানরের দল যে গাছের উপর! তারা উঁচু জায়গা থেকে কুকুরছানা গুলিকে মাটিতে ফেলে হত্যা করছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছিলেন, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই ওই কাণ্ড ঘটাচ্ছিল বানররা। আসলে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ওই এলাকার একদল কুকুর একটি বানর শিশুকে হত্যা করেছিল। আর তারপর থেকেই শুরু হয় প্রতিশোধ নেওয়া। পরপর ২৫০টি কুকুরছানাকে উঁচু গাছ বা বাড়ি থেকে ফেলে হত্যা করছে। তবে এতেও মেলেনি স্বস্তি! জানা গিয়েছে, এখনও ওই এলাকায় বানর আর কুকুরদের মাঝে অঘোষিত যুদ্ধ চলছে। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, আদৌ প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পশুগুলি ওই হত্যা করেছে কিনা তার কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে দু'টি বানরকে পাকড়াও করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। এই কুকুর আর বানরের লড়াই কিন্তু চিরন্তন। কুকুর দেখলেই বানররা সাধারণত পালিয়ে যায়। কিন্তু, গত বছরের গোঁড়ার দিকে একেবারে উল্টো চিত্র দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশে। খাগড়াছড়ি এলাকায় একটি সারমেয়র সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল এক বানর শাবকের। একসঙ্গে সময় কাটাত তারা। এমনকী খাওয়াদাওয়াও করত একসঙ্গে। বন্ধুর সঙ্গে নিজের খাবার ভাগ করে নিত আরেক বন্ধু।
from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/3FNnnFQ
via IFTTT
No comments:
Post a Comment