ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। এবার একেবারে সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের () সামনে দলীয় সভায় চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল মালদার (Malda) বৈষ্ণবনগরে। দলীয় সভা থেকে ব্লক তৃণমূল সভাপতি ও তাঁর অনুগামীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা সভাপতি ও বিধায়কের বিরুদ্ধে। যার প্রতিবাদে ব্লক সভাপতির অনুগামীরা রাস্তায় ধরনায় বসেন এবং সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখান। মঙ্গলবার বিকালে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও ব্লক সভাপতিকে দলীয় সভা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি। আবার রাস্তায় যাঁরা ধরনা দেন, তাঁরা আদতে BJP কর্মী বলেও দাবি জানান তিনি। অন্যদিকে, ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছে মালদা জেলা BJP নেতৃত্ব। পুর চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী (Krishnendu Narayan Chowdhury) আবার ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি জানিয়েছেন। তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সকলকে নিয়ে চলা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গোটা ঘটনায় সরগরম হয়ে উঠেছে মালদা জেলার রাজনীতি। ঠিক কী ঘটেছিল? জানা গিয়েছে, এদিন বৈষ্ণবনগরে প্রমোদ ভবনে জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতা-কর্মী থেকে সাংসদ তথা তৃণমূলের রাজ্য কমিটির নেতা সুখেন্দু শেখর রায়ো উপস্থিত ছিলেন। সভা শুরুর আগে দলীয় নেতাদের বরণ পর্বে জেলার সকল নেতাকে বরণ করা হলেও ব্লক সভাপতি দুর্গেশ সরকারকে ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকি মঞ্চে বসার জন্য তাঁকে চেয়ারও দেওয়া হয়নি। বরং স্থানীয় বিধায়ক চন্দনা বাউরি এবং জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি মিলে ব্লক সভাপতি দুর্গেশ সরকার ও তাঁর অনুগামীদের সভা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ। ব্লক সভাপতির নির্দেশেই তাঁরা কোনও গণ্ডগোল না করে হলের বাইরে বেরিয়ে যান এবং এর প্রতিবাদে জাতীয় সড়কে ধরনায় বসেন বলে জানিয়েছেন ব্লক বুথ প্রেসিডেন্ট সাগর সরকার। পরে সুখেন্দুশেখর রায় (Sukhendu Sekhar Ray) ওই পথ দিয়ে গেলে ব্লক সভাপতির অনুগামীরা তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এবং জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি তোলেন। সাংসদ অবশ্য গোটা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, যারা ধরনায় বসে, তারা তৃণমূলের কেউ নয় বলে দাবি জানিয়েছেন আব্দুর রহিম বক্সি। ব্লক সভাপতি ও তাঁর অনুগামীদের সভা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন। তাঁর কথায়, "BJP-র কিছু লোক সভায় ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। তাদের বেরিয়ে যেতে বলেছি।" যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন তাঁদের বিষয়ে জেলা কমিটি, রাজ্য কমিটি আলোচনা করে ব্যবস্থা নেবে বলেও দাবি জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে মুখ খোলননি সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। তবে পুর চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী (Krishnendu Narayan Chowdhury) বিষয়টি সঠিক জানেন না দাবি করেও বলেন, যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের সকলকে নিয়ে চলা উচিত। অন্যদিকে, গোটা ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছে জেলা BJP নেতৃত্ব।
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/ahCuwQf
via IFTTT
No comments:
Post a Comment