এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গোয়া ও কলকাতার প্রথম সংযোগ সূত্র প্রশান্ত কিশোর। গোয়ার দু'বারের মুখ্যমন্ত্রী এবং সাতবারের কংগ্রেস সাংসদ Luizinho Faleiro-এর সঙ্গে দলবদলের প্রস্তাব নিয়ে প্রথম যোগাযোগ করেছিলেন কর্ণধার পিকে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রবীণ এই রাজনৈতিক নেতার দাবি, সরাসরি কোনও প্রস্তাব নয়, অভিনব উপায়ে দলবদলের ভাবনা তাঁর মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন পিকে। বুধবারই কলকাতায় এসে জোড়াফুল শিবিরে যোগদান করেছেন গোয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ। কংগ্রেসের সঙ্গে প্রায় ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো সম্পর্ক ভেঙে হাত শিবির ছেড়ে পাকাপাকিভাবে ঘাসফুলে লুইজিনহো ফালেইরো। প্রবীণ কংগ্রেসি নেতার দলবদলে কিভাবে আগ্রহী হলেন তা নিয়ে ওঠেছে প্রশ্ন। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে ফালেইরো বলেন, 'সম্প্রতি স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে ও সরাসরি আমাকে এসে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলেনি। বরং আমার সামনে একটা গোয়ার বর্তমান পরিস্থিতির অ্যানালিসিস পেশ করেন।' পিকে বলেন,'গোয়ার মানুষ BJPর উপর ক্ষুব্ধ। খনিজ উত্তোলন বন্ধ। অর্থনীতি ভেঙে পড়ার জোগাড়। এমন পরিস্থিতিতে দিদিই হচ্ছে একমাত্র শক্তি। কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে অপমান করে, আক্রমণ করে, মাত্রাতিরিক্ত প্রেশার দিয়েও যাকে নোয়াতে পারেনি BJP। দেশের দিদি মতো একজন লিডার দরকার।' এরপরই কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফালেইরো। বলেন, 'আমি এর আগে কোনওদিন ওদের সঙ্গে দেখা করিনি। মমতা এবং অভিষেক দুজনেই অসাধারণ নেতা। শুধু তৃণমূলের নেতাই নন, তারা অন্যতম সেরা ন্যাশনাল লিডার।' তাঁর সংযোজন, 'সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পর্যন্ত আমি ওদের সঙ্গে দেখা করিনি। আমি I-PAC, প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে মিটিংয়ের পরই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি।' এতদিনের পুরনো দলত্যাগ প্রসঙ্গে ফালেইরো বলেন, '৪০ বছর কাজ করার পর কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্তটা আমার কাছে খুব একটা সহজ ছিল না। কিন্তু গোয়ার স্বার্থে, দেশের স্বার্থে আমি সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেলি।'
from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/2Y1djb9
via IFTTT
No comments:
Post a Comment