এদেশের বাজার নিয়ন্ত্রক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া ( SEBI ) ইনফোসিসের অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহার করে শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করায় ইনফোসিস এবং উইপ্রোর কর্মচারীকে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন করা নিষিদ্ধ করেছে। 27 সেপ্টেম্বর তারিখের একটি অর্ডারে , নিয়ন্ত্রক দুই কর্মচারী রমিত চৌধুরী এবং কিউর মনিয়ার নাম উল্লেখ করেছে যারা 2020 সালের জুলাইতে ইনফোসিসের ভ্যানগার্ড চুক্তি সংক্রান্ত কর্পোরেট ঘোষণার সময় অভ্যন্তরীণ তথ্য জানিয়ে দিয়েছিল । এর আগে 2021 সালের 1 জুন , সেবি ইনফোসিসের দুই কর্মচারী এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে 2020 সালের জুনে শেষ হওয়া কোম্পানির ত্রৈমাসিকে আর্থিক ফলাফল ঘোষণার আগেই সেই অভ্যন্তরীণ তথ্য জানানো জন্য জরিমানা করেছিল । শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করার জন্য অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রকাশ করার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে কোম্পানি এবং জানিয়েছে তদন্ত শেষ হওয়ার পরে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে উইপ্রো এক বিবৃতিতে বলেছে ," ইনফোসিস লিমিটেডের শেয়ার সম্পর্কিত ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার জারি করা অন্তর্বর্তীকালীন এক্স পার্টে অর্ডার আমরা পেয়েছি , যা 2.8 সেপ্টেম্বর, 2021 থেকে কার্যকর , কিউর মনিয়ার উইপ্রো লিমিটেডের কর্মচারী নন ৷ " তাছাড়া মন্তব্যের জন্য ইনফোসিসকে একটি ইমেল পাঠানো হয়েছে। ভ্যানগার্ড চুক্তি: ইনসাইডার ট্রেডিং ইনফোসিসের সলিউশন ডিজাইনের প্রধান ছিলেন চৌধুরী এবং ভ্যানগার্ড চুক্তিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন , যা 1.5 বিলিয়ন ডলারের ছিল এবং যার কাছে অপ্রকাশিত মূল্যবান সংবেদনশীল তথ্য ( UPSI ) ছিল। রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছে। চৌধুরীর লিঙ্কডইন প্রোফাইল অনুসারে , তিনি 2021 সালের এপ্রিল মাসে ইনফোসিস ত্যাগ করেছিলেন। এই অপ্রকাশিত মূল্যবান সংবেদনশীল তথ্য বা ইউপিএসআই বলতে পাবলিক ডোমেইনে পাওয়া যায় না কোম্পানি সম্পর্কে এমন তথ্যকে বোঝায় এবং তা শেয়ার বাজারে কোম্পানির সিকিউরিটিজের দামে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এই তথ্য হতে পারে আর্থিক ফলাফল , লভ্যাংশ , মূলধন কাঠামোর পরিবর্তন , সংযুক্তিকরণ ও অধিগ্রহণ এবং প্রধান ম্যানেজেরিয়াল কর্তাদের সম্পর্কিত। ট্রেডিং এর জন্য UPSI ব্যবহার করা SEBI-র প্রোহিবিশন অফ ইনসাইডার ট্রেডিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অর্ডার অনুসারে , চৌধুরীর কাছে থাকা UPSI -এর তথ্য নিয়ে টেলিফোনে উইপ্রোর কর্মচারী মনিয়ার সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছিল ৷ 2020 সালের 14 জুলাইয়ে চুক্তি ঘোষণার আগে , মনিয়ার ইনফোসিসের স্ক্রিপগুলি লেনদেন করেছিলেন এবং তা ঘোষণার পরপরই সেগুলি বেচে দিয়ে ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে তিনি 2.6 কোটি টাকা উপার্জন করে ছিলেন। লেনদেনের ক্ষেত্রে এই ধরনের আচরণ একেবারেই স্বাভাবিক ছিল না এবং তাই এই দুজনেই সেবি-র ইনসাইডার ট্রেডিং অ্যাক্ট ২০১৫ লঙ্ঘন করেছে বলে আদেশে বলা হয়েছে। SEBI অর্ডার সেবির অর্ডার বা আদেশে বলা হয়েছে, " পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত চৌধুরী এবং মনিয়ার যে কোনও উপায়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিকিউরিটিজ কেনা , বেচা এবং লেনদেন করা থেকে বিরত থাকবে।" উপরন্তু , এখন তাদের দুজনকেই পাঁচটি কাজের দিনের মধ্যে তাদের নামে থাকা সম্পদের একটি সম্পূর্ণ তালিকা প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট, মিউচুয়াল ফান্ডের বিবরণ এবং অন্যান্য তথ্য ৷ এর পাশাপাশি সেবি জানিয়েছে , প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইনফোসিস এবং উইপ্রোর কাছেও এই অর্ডারটি পাঠানো হবে। Read More:
from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/2Y61Jvy
via IFTTT
No comments:
Post a Comment