নজিরবিহীন, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি আদালতের - onlinewebsite24

Thursday, February 17, 2022

নজিরবিহীন, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি আদালতের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নজিরবিহীন রায় কলকাতা হাইকোর্টের। ৩৫ সপ্তাহের সন্তানসম্ভবাকে ভ্রুণের গর্ভপাতের অনুমতি দিল আদালত। মা ও সদ্যোজাতের বড় রকমের শারীরিক সমস্যার আশঙ্কার কারণেই এই নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শের পরই এই যুগান্তকারী রায় শুনিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। ব্যতিক্রমী এই মামলার রায়ে ৩৫ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি হাইকোর্টের, যা গোটা দেশের নিরিখে প্রথমবার। যদিও একইসঙ্গে বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও ঝুঁকি বা বিপদ হলে তার দায় ওই দম্পতির। প্রসঙ্গত,২০২১ সালের সংশোধিত আইন অনুসারে ভ্রূণের বয়স ২৪ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর গর্ভপাত আইনত অপরাধ। গর্ভস্থ ভ্রুণের বয়স ২৪ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে, সে ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর আর্জি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। ৩৪ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এক দম্পতি। কারণ, হিসেবে তাঁরা জানায়, সপ্তাহখানেক আগে গর্ভস্থ ভ্রুণের স্পাইনাল কর্ডে (spinal cord) জন্মঘটিত গুরুতর সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা জানান, কোনও চিকিৎসাতেই সদ্যোজাতের সেরে ওঠার সম্ভাবনা নেই। তাকে জড়ভরতের মতোই সারাজীবন কাটাতে হবে বলে মত চিকিৎসকদের। ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। ওই দম্পতি আদালতে জানান, বিয়ের বহু বছর পরেও শারীরিক সমস্যার কারণে সন্তানধারণ এর আগে সম্ভব হয়নি। বহু চিকিৎসার পর কনসিভ করেন তরুণী, কিন্তু গর্ভধারণের পর ফের তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দম্পতির আর্জি খতিয়ে দেখতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের ন’জন চিকিৎসকের একটি কমিটি গঠন করেন । তাঁরা ওই মহিলাকে পরীক্ষার পর আদালতে জানান, গর্ভস্থ ভ্রুণের সমস্যার চিকিৎসার কোনও আশাই নেই। বরং সন্তান প্রসব করলে মা এবং সদ্যোজাত দু’জনেরই ক্ষতি হবে। চিকিৎসকদের সার্টিফিকেটের পরই বিচারপতি গর্ভপাতের আর্জি মঞ্জুর করেন। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন এই প্রক্রিয়ায় কোনও ক্ষতি হলে দম্পতি কোনওভাবেই আদালত বা চিকিৎসককে দায়ী করতে পারবেন না।


from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/2cm4Pvn
via IFTTT

No comments:

Post a Comment