এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ইউক্রেনের উপর হামলা () বন্ধ করতে নারাজ রাশিয়া। পিছু হঠতে রাজি নয় কিয়েভও। এই অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব ইউরোপীয় ইউনিয়নের () সদস্যপদ পেতে মরিয়া ইউক্রেন। ইতিমধ্যেই, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বের কাছে সেই আবেদন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ()। সোমবার সন্ধেয় আনুষ্ঠানিকভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরুও করে দিলেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রনেতা। এদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ পেতে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন তিনি। সেদেশের পার্লামেন্টের পক্ষ থেকে একথা ঘোষণা করা হয়েছে। পড়শি রাশিয়া অত্যন্ত শক্তিশালী। সেখানকার প্রেসিডেন্ট () পৃথিবীর অন্যতম ক্ষমতাবান ব্যক্তি। যিনি ইউক্রেনের স্বাধীনতাকে এখনও স্বীকারই করেন না! বরং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে ফেরাতেই বেশি আগ্রহী তিনি। তার উপর দেশের পূর্বাংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মস্কোর মদতপুষ্ট বিদ্রোহীরা। এই অবস্থায় দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতেই NATO-র সদস্যপদ পেতে চেয়েছিল ইউক্রেন। কিন্তু, তাতে পশ্চিমী মিত্রশক্তি কার্যত রাশিয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে যেত। পুতিন এমনটা করতে দিতে নারাজ। এই টানাপোড়েনের জেরেই আজ যুদ্ধের কবলে পড়তে হয়েছে ইউক্রেনকে। ছবির মতো সুন্দর দেশটায় এখন শুধুই ধ্বংসলীলা চলছে! রাশিয়া চাইছে, ভলোদেমিরকে সরিয়ে এমন কোনও একজনকে ইউক্রেনের ক্ষমতায় বসাতে, যে কার্যত মস্কোর হাতের পুতুল হয়ে থাকবে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের অনুমান, পুতিন ভেবেছিলেন, রুশ সেনাবাহিনী আক্রমণ চালালেই হার স্বীকার করে নেবে ইউক্রেন। কিন্তু, বাস্তবে হয়েছে ঠিক উলটো। লাগাতার জবাব দিচ্ছে ইউক্রেন। ইতিমধ্যেই NATO-র পক্ষ থেকে সাহায্য পেতে শুরু করেছে তারা। এগিয়ে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রোমানিয়া, ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় দেশও। দেশ ছেড়ে পালানোর বদলে বাহিনীকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গোটা বিশ্বের কাছেই 'হিরো' বনে গিয়েছেন জেলেনস্কি। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার বেলারুশের সীমান্তে বৈঠক শুরু করেন ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরা। সাড়ে তিনঘণ্টার সেই বৈঠকে ইউক্রেন থেকে সম্পূর্ণ সেনা অপসারণের দাবি জানিয়েছে কিয়েভ। অন্যদিকে মস্কোর বক্তব্য, কোনওভাবেই রাশিয়ার নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করা চলবে না। এই বিষয়ে নিশ্চয়তা পেলে একমাত্র তবেই সমঝোতা করবে তারা। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ চাইল ইউক্রেন। প্রেসিডেন্ট নিজে স্বাক্ষর করলেন সেই আবেদনপত্রে। ইউক্রেনের পার্লামেন্টের পক্ষ থেকেই এই তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। জেলেনস্কির এই উদ্যোগ সফল হলে বাড়তি কিছু সুবিধা পাবে তাঁর দেশ। আপাতত সেটাই লক্ষ্য রাষ্ট্রনায়কের!
from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/qLiv6Q2
via IFTTT
No comments:
Post a Comment