Chakdaha-তে নৃশংস ঘটনা! মুরগি চোর সন্দেহে এক ব্যক্তির মলদ্বারে লোহার স্ক্রু ড্রাইভার ঢুকিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠল ()। ঘটনায় এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত তরুণের নাম রাহুল সিং (১৭)। পুরসভার পিকনিক গার্ডেন সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে অনিল বর্মন নামক এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন রাহুলের দাদা। বাড়িওয়ালা অনিল ছাদে মুরগি চাষ করত। রাহুলের বিরুদ্ধে মুরগি চুরির অভিযোগ তুলে বাড়িওয়ালা। ওই নাবালকের পরিবারের দাবি, মুরগি চুরির অভিযোগ তুলে রাহুলের মলদ্বারে লোহার বস্তু ঢুকিয়ে খুন করে অনিল। এমনকী, লোহার ওই বস্তু মলদ্বারে যাতে প্রবেশ করে সেজন্য হাতুড়ি ব্যবহার করে বাড়িওয়ালা, অভিযোগ এমনটাই। এই ঘটনার খবর পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ। এই ঘটনার বিষয়ে জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে এলাকাবাসী। অনিলের বাড়িতে চড়াও হয় তারা। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ বাড়তেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় অনিল বর্মন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কাঁচরাপাড়া ও বিজপুরের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। শুক্রবার কল্যাণী মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছিল অনিল বর্মনকে। এদিন তাকে সাত দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জানা গিয়েছে, অনিল বর্মনের বাড়িতে ভাড়া থাকত রাহুলের দাদা রোহিত সিং। রাহুলের বিরুদ্ধে মুরগি চুরির অভিযোগ আনে অনিল। বুধবার ভোরে অনিল রাহুলকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হাত পা বেঁধে মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর তার মলদ্বারে লোহার বস্তু ঢুকিয়ে দেয় সে, অভিযোগ এই নাবালকের পরিবারে। রাহুলের পরিবারের দাবি, রোহিত যখন ভাইকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায় তখনও সে জীবিত ছিল। ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা দেখে প্রথমে হকচকিয়ে যায় রোহিত। তড়িঘড়ি রাহুলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। রাস্তায় যেতে যেতে দাদাকে তার উপর হওয়া যাবতীয় অত্যাচারের কথা বলেছিল রাহুল, দাবি তার পরিবারের। এদিকে হাসপাতালে পৌঁছেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাহুল সিংয়ের দেহ বাবা এবং দাদার উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত করেছেন চিকিৎসক, জানা গিয়েছে এমনটাই। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য । প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন ।
from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/HuRZB8g
via IFTTT
No comments:
Post a Comment