চৈত্রেই কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi Storm) তাণ্ডব। কালবৈশাখীর ঝড়ে প্রাণ গেল দুই মহিলার। বাংলা বছরের শেষদিনে প্রকৃতির মারণ তাণ্ডবে লন্ডভন্ড আলিপুরদুয়ার। চড়ক মেলা থেকে ফেরার পথে ঝড়ের মুখে পড়ে মর্মান্তিক, দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু এক আলিপুরদুয়ারবাসীর। তাঁর কোলে ছিল কয়েকমাসের শিশুকন্যা। ঝড়ের তাণ্ডবে আরও এক মহিলারও মৃত্যুর খবর মিলেছে। মাত্র দশ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত আলিপুরদুয়ার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ কালবৈশাখী ঝড় আছড়ে পড়ে আলিপুরদুয়ার জেলায়। ওই কালবৈশাখী ঝড়ে কুমারগ্রাম ব্লক ও আলিপুরদুয়ার ২ নম্বর ব্লকে দুই মহিলার মৃত্যু খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, চড়কের মেলা থেকে ফেরার সময় গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হয় কামাখ্যাগুড়ির সুনীতি দাস (৩২) নামের এক মহিলার। কিন্তু, আশ্চর্যজনক ভাবে বেঁচে যায় তাঁর কোলে থাকা চার মাসের শিশুকন্যা। অপরদিকে,আলিপুরদুয়ারের বারোবিশার কুমারগ্রাম ব্লকের অন্য একটি জায়গায় এক ভবঘুরে মহিলারও মৃত্যু হয় ঝড়ের কারণে। সব মিলিয়ে ওই দশ মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে জেলার বীরপাড়া-মাদারিহাট ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা সহ গোটা আলিপুরদুয়ার জেলা। কোথায় গাড়ির উপর পড়েছে গাছ তো ঝড়ে ধসে গিয়েছে বাড়ির দেওয়াল। কোথায় আবার ঝড়ে উড়ে গিয়েছে বাড়ির চাল। কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের শতাধিক গাছ। বহু গাছ উপড়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাস্তা। দ্রুত তা সরানোর কাজে হাত লাগিয়েছে প্রশাসন। সাহায্যে এগিয়ে এসেছে স্থানীয় মানুষও। বৈশাখের প্রাক্কালে ঝড়ের এমন তাণ্ডবে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। বছরের শেষে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গে আপাতত বৃষ্টি চলবে বলে আভাস হাওয়া অফিসের। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় হালকা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। উত্তরে ঝড় হলেও তার প্রভাব দক্ষিণে পড়েনি। সকাল থেকেই যেন রোদের দাপট। বেলা গড়ালে দহন জ্বালার যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে রাজ্যবাসীকে। চৈত্রের গরমে নাজেহাল অবস্থা সকলের। তবে দক্ষিণেও দু-এক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহান্তেই বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে কলকাতায়। এমনই স্বস্তির বার্তা শুনিয়েছে আলিপুর আবহওয়া দফতর।
from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/UK53loa
via IFTTT
No comments:
Post a Comment