শুয়োর ধরার ফাঁদে প্রাণ গেল ৩ সুমাত্রীয় বাঘের! - onlinewebsite24

Monday, April 25, 2022

শুয়োর ধরার ফাঁদে প্রাণ গেল ৩ সুমাত্রীয় বাঘের!

শুয়োর ধরার (Boar Trap) ফাঁদে পড়ে প্রাণ গেল অত্যন্ত বিরল প্রজাতির তিনটি সুমাত্রীয় বাঘের ()! ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (২৪ এপ্রিল, ২০২২)। পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ার () জঙ্গল থেকে মৃতদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। তারা জানিয়েছে, এর সঙ্গে চোরাশিকারের কোনও সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শুয়োর ধরার ফাঁদে আটকা পড়েই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বাঘ তিনটির। প্রসঙ্গত, ভারত-সহ গোটা পৃথিবীতেই বাঘকে বিরল এবং সংরক্ষিত প্রাণীর আওতায় ফেলা হয়। কিন্তু, তারপরও বাঘ শিকার, এবং বাঘকে পিটিয়ে মারার মতো ঘটনা ঘটে। তবে, এক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, অতি বিরল প্রজাতির মধ্যে পড়ে। সেখানে একসঙ্গে তিনটি বড় ক্ষতি বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার কয়েকজন পরিবেশবিদই প্রথম দুটি বাঘের দেহ দেখতে পান। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এবং বন বিভাগের কর্মী ও আধিকারিকদের খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বন দফতরের সহযোগিতায় দেহ দুটি উদ্ধারের বন্দোবস্ত করে। পুলিশের দাবি, তারা ঘটনাস্থলে দুটি বাঘকেই মৃত অবস্থায় পাশাপাশি মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে। দুটি বাঘেরই পায়ে শুয়োর ধরার ফাঁদ আটকে ছিল। ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব অ্য়াসে জেলায়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও একটি বাঘের দেহের সন্ধান মেলে! যে জায়গায় প্রথম দুটি বাঘের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল, তার থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তৃতীয় বাঘটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেটিরও পায়ে একইভাবে ফাঁদ আটকে ছিল। এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশের তরফে স্থানীয় থানার প্রধান আধিকারিক হেন্দ্রা সুমানা জানিয়েছেন, "আমাদের প্রাথমিক অনুমান, শুয়োর ধরার ফাঁদে পা জড়িয়েই ওই তিনটি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। কারণ, যখন দেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়েছিল, সেগুলির পায়ে ইস্পাতের রড দিয়ে তৈরি ফাঁদ আটকে ছিল।" তবে, দেহ তিনটির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সুর চড়াতে শুরু করেছেন পরিবেশপ্রেমী ও পশুপ্রেমীরা। স্থানীয় সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের অগাস্ট মাসেও একইভাবে তিনটি বাঘের মৃত্যু হয়েছিল। সেবার মা ও তার দুই শাবকের প্রাণ গিয়েছিল। তথ্য বলছে, এই মুহূর্তে বনাঞ্চলে ৪০০টিরও কম সুমাত্রীয় বাঘ বেঁচে রয়েছে।


from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/5msXZtB
via IFTTT

No comments:

Post a Comment