২৫ দিন বেসমেন্টে রেখে ধর্ষণ, ৯ জন অন্তঃসত্ত্বাও! - onlinewebsite24

Tuesday, April 12, 2022

২৫ দিন বেসমেন্টে রেখে ধর্ষণ, ৯ জন অন্তঃসত্ত্বাও!

এই সময়, কিইভ: ছাড় নেই নাবালিকারও! রুশ সেনার বিরুদ্ধে এ দিন ফের ধর্ষণের অভিযোগ আনল ইউক্রেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদকে দেওয়া এক ভিডিয়ো বার্তায় ইউক্রেনের মানবাধিকার লা স্ত্রাদার দাবি- ''বাড়ি-বাড়ি ঢুকে মেয়ে দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়া শুধু নয়, বুচা ও তার আশপাশ থেকে বেশ কয়েক জন নাবালিকা ও তরুণীকে ধরে এনে একটি বহুতলের বেসমেন্টে আটকে রেখে টানা ২৫ দিন ধরে নারকীয় অত্যাচার চালিয়েছে রুশ ফৌজ। ওদের মধ্যে ন'জন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গিয়েছে বলেও খবর এসেছে আমাদের কাছে।'' সংস্থাটির অভিযোগ, কিইভ দখলে ব্যর্থ রাশিয়ার সেনা এখন প্রতিহিংসায় মেতে ধর্ষণকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। সংস্থার জরুরি হটলাইনে তাঁদের কাছে রোজই ভুরিভুরি ধর্ষণের অভিযোগ জমা পড়ছে বলে দাবি স্ত্রাদা-ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কাটরিনা শেরেপাখার। এক এক দিনে নয়-দশটা করে ধর্ষণের অভিযোগ আসছে বলেও দাবি করেন তিনি। শুধু বুচা নয়, রুশ হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে দেশের বহু এলাকা। শহর ধরে ধরে গণহত্যা চালানোর অভিযোগও উঠেছে মস্কোর সেনার বিরুদ্ধে। তবু পিছু হটতে নারাজ প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। মঙ্গলবার এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ''আমরা এর শেষ দেখেই ছাড়ব। গত দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে আমাদের বহু মানুষের প্রাণ২৫ দিন গিয়েছে। হয়তো আরও হবে। কিন্তু একটা কথা বলে রাখি, রাশিয়াকে আমরা দেশের কোনও অংশেরই দখল নিতে দেব না।'' এ দিকে রাশিয়ার হানায় অবরুদ্ধ বন্দর শহর মারিউপোলে ১০ হাজারেরও বেশি সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে সোমবারই দাবি করছিলেন জেলেনস্কি। সূত্রের খবর, মারিউপোলকে দখলমুক্ত করতে 'শেষ যুদ্ধের' প্রস্তুতি নিচ্ছে সেনা। তবে অন্য একটি সূত্রের দাবি, গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসছে বলেই ভয়ে 'শেষ যুদ্ধের' কথা বলছে ৩৬ মেরিন ব্রিগেড। প্রতিরোধে অনড় থাকার বার্তা দিলেও জেলেনস্কি যে চাপে রয়েছেন, তার ইঙ্গিতও মিলল এ দিন। ওই মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ''যত দিন সম্ভব দৃঢ় ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই হবে আমাদের। তবে জীবনে তো কত কিছুই ঘটে!'' পাল্টা হামলার পাশাপাশি তিনি যে কূটনৈতিক আলোচনাও চাইছেন, বারবার সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন জেলনস্কি। তবে ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে মানতে নারাজ তিনি। ছাড়তে চান না দেশের কোনও অংশই। তাঁর কথায়, ''হানাদার রুশ সেনার হাতে আমরা যদি দেশের কোনও অংশ ছেড়ে দিতে রাজি হতাম, তা হলে তো এই যুদ্ধটাই হতো না! এখন তাই পিছু হটার প্রশ্নই উঠছে না।''


from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/bNHJOek
via IFTTT

No comments:

Post a Comment