ছেলের হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, মেয়ের চোখ হারাচ্ছে দৃষ্টি! অসহায়ের বাবা-মায়ের আর্তি আর্থিক সাহায্যের - onlinewebsite24

Tuesday, May 17, 2022

ছেলের হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, মেয়ের চোখ হারাচ্ছে দৃষ্টি! অসহায়ের বাবা-মায়ের আর্তি আর্থিক সাহায্যের

সবে পাঁচ বছর দেবাংশুর। ছুটে খেলে বেড়ানোর কথা। আর পাঁচটা ছেলের মতো প্রাণ খুলে দৌড়বে, খেলবে, পড়াশুনা করবে। কিন্তু সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার হৃদযন্ত্র। হৃদযন্ত্রে ধরা পড়েছে একটি ছিদ্র। বাড়ির মধ্যেই বেশিরভাগ সময় কাটে তার। সঙ্গী বলতে তার একমাত্র দিদি। কিন্তু সেও আবার ছোট থেকেই চোখের সমস্যায় ভুগছে। দৃষ্টি হারিয়ে আসছে তার। এই দুই ছেলে মেয়েকে চূড়ান্ত অসহায়তার মধ্যে কলিয়াগঞ্জের প্রভাস সরকারের পরিবার। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে (North Dinajpur) জেলার কালিয়াগঞ্জের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আখানগর এলাকার বাসিন্দা প্রভাস সরকারের অসুস্থ দুই ছেলেমেয়ের। ছেলেমেয়ের প্রাণ বাঁচাতে এখন ভরসা আর্থিক সাহায্য৷ কী করে মিলবে প্রয়োজনীয় অর্থ তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। ছেলের অস্ত্রোপচার করতে গেলে প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ হওয়ার কথা। পরিবার জানিয়েছে, ২০১৯ সালে শিশু সাথী প্রকল্পে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোম ছেলেটির চিকিৎসা করানো যায়নি। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সেই হাসপাতালে শিশুসাথীর প্রকল্পের কোনও যোগাযোগ নেই বলে জানায় হাসপাতাল। অবশেষে ২০২১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে " স্বাস্থ্য সাথী " কার্ড করান তাঁরা। সেই কার্ডের সুবিধা নিয়েও এখনও কোনও হাসপাতালে যোগাযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবার। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রভাস সরকার অন্যের দোকানে শ্রমিকের কাজ করেন। কোনো মতে সংসার চালান। এই পরিস্থিতিতে একেই তো অভাবের সংসার৷ তার ওপর দুই ছেলেমেয়ে গুরুতর অসুস্থ৷ হৃদযন্ত্র ফুটো হয়ে যাওয়ায় প্রাণ সংশয় দেখা দিয়েছে বছর পাঁচেকের ছেলে দেবাংশুর। অন্যদিকে তাঁর মেয়ে নবনীতাও চোখের সমস্যায় ভুগছে অনেকদিন ধরেই। ঘটিবাটি বিক্রি করে শেষ সম্বলটুকু দিয়ে ছেলেকে কলকাতা ও মেয়েকে হায়দ্রাবাদ নিয়ে গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। ছেলে কার্যত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। মেয়েকে চিকিৎসা করে সুস্থ করে তুলতেও এখন প্রচুর টাকার প্রয়োজন। কোথা থেকে এত টাকা জোগাড় হবে? তা ভেবেই পারছেন না প্রভাসবাবু। প্রভাসের স্ত্রী শঙ্করী দেবী বলেন, ''ছেলে ছোটবেলা থেকেই ভুগছে। ওকে নিয়ে চারবার হায়দ্রাবাদে যাতায়াত করেছি। তাও কোনও লাভ হয়নি। মেয়েটারও চোখের সমস্যা রয়েছে ছোটবেলা থেকে। আমি কিছু সাহায্য চাই। কেউ সাহায্য করলে ছেলে মেয়ে দুটিকে বাঁচাতে পারি। ৭ নং ওয়ার্ডের BJP কাউন্সিলর বর্ণালী দাস বলেন, " বিষয়টি আমার জানা নেই৷ লোকের কাছ থেকে ওই পরিবারের অসহায়তার কথা শুনেছি। ব্যক্তিগতভাবে বা অন্য কোনও ভাবে যাতে ওঁদের পরিবারকে যাতে সাহায্য করা যায়, সেটা আমরা দেখছি।''


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/MWhsSdG
via IFTTT

No comments:

Post a Comment