হলদিবাড়ির হুজুর সাহেবের মাজারে চাদর চড়ালেন অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। সোমবার বিকেলে তিনি বোনঝিকে নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। এদিন জলপাইগুড়ির ক্ষুদিরাম পল্লিতে নিজের মামার বাড়িতেও যান যাদবপুরের সাংসদ তথা অভিনেত্রী। ঘুরে দেখেন গোটা এলাকা। জলপাইগুড়িরই মেয়ে Mimi। অভিনয়ের ব্যস্ত শিডিউল সামলে 'হোমটাউন'-এ যাওয়া হয়নি অনেকদিন৷ সাংসদ হওয়ায় কাজের চাপ স্বভাবতই আরও বেড়ে গিয়েছে৷ ফলত জলপাইগুড়ির অলিগলিতে কাটানো ছেলেবেলার স্মৃতি হাতড়ে দেখা হয়নি অনেকদিন৷ সেই কারণেই কলকাতা-দিল্লির ব্যস্ত শিডিউলের ফাঁকে সময় বের করে পৌঁছে গিয়েছিলে Jalpaiguri-তে। এদিন আনন্দের ছাপ ছিল অভিনেত্রীর চোখেমুখে। বলা চলে, এদিন খোশ মেজাজেই এদিন দেখা গেল অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে৷ এদিন জলপাইগুড়ির ক্ষুদিরাম পল্লির মামার বাড়িতে ছেলেবেলায় অনেকটা সময় সেখানে কেটেছে তাঁর৷ কথায় আছে, "মামার বাড়ি ভারী মজা।" -র কাছেও ব্যাপারখানা ঠিক তাই। সকলেরই মামাবাড়িকে ঘিরে অসংখ্য স্মৃতি থাকে৷ তাঁরও আছে ছেলেবেলার অনেক স্মৃতি৷ এদিন যেন ছেলেবেলার সেইসব স্মৃতিতেই মজে রইলেন তিনি৷ বেশ খোশ মেজাজেই মামার বাড়ির ছাদে বাগানে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে তাঁকে৷ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাগানে ঘুরেছেন৷ মামার বাড়ির গাছের লেবুর গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে খুশিতে ডগমগ করে ওঠেন মিমি৷ তবে এখানে একটা বিপত্তি ঘটে৷ 'ড্রাগন নামে'কেমন হয়, তা দেখতে গিয়ে এদিন হাতে কাঁটা ফুটে যায় মিমির৷ তবে তেমন কিছু হয়নি বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান সাংসদ৷ তাঁর মামার বাড়ির ছাদের বাগানে লেবু, আঙুর, আনারস সহ নানা নিত্য নতুন ধরনের ফলের গাছ রয়েছে৷ এসবই তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেখাশোনা করেন৷ এদিন জলপাইগুড়ির মাজারেও যান অভিনেত্রী৷ সঙ্গে করে নিয়ে যান নিজের ছোট্ট বোনঝিকে৷ বোনঝিও প্রিয় মাসিকে কাছে পেয়ে ভীষণ খুশি!সেখানে চাদর চড়ান মিমি৷ অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘আমি তো জলপাইগুড়িতেই বড় হয়েছি৷ ছোটবেলায় অনেক এসেছি। বড় হয়ে কলকাতায় চলে যাওয়ার পর আর আসা হয়নি। কিন্তু টান না তো থেকে যায়৷ তাই আজ এলাম। বাবার দর্শন করে গেলাম৷ বোনঝিকেও সঙ্গে এনেছি৷’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘এর আগেও এসেছি৷ ভিতরে ঢোকা হয়নি আমার৷ এবার ঢুকলাম৷’’ বিনোদনের আরও খবর পড়তে ... প্রতি মুহূর্তের লাইভ খবরের আপডেট পেতে ফলো করুন …
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/Ul56Cdm
via IFTTT
No comments:
Post a Comment