বাংলায় পাওয়া ক্ষতে প্রলেপ যোগীরাজ্যের - onlinewebsite24

Sunday, June 26, 2022

বাংলায় পাওয়া ক্ষতে প্রলেপ যোগীরাজ্যের

লোকসভা উপনির্বাচনে (Lok Sabha ByPoll) উত্তরপ্রদেশে ছাড়খাড় সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) দুর্গ। পদ্মের কাঁটায় পাংচার হয়ে গেল সাইকেলের টায়ার। সমাজবাদী পার্টির শক্ত দুর্গ বলে পরিচিত রামপুর এবং আজমগড় কেড়ে নিল যোগী আদিত্যনাথের () দল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Election) আগে দেশে লোকসভা ও বিধানসভা মিলিয়ে মোট ১০ আসনের উপনির্বাচনে ৫টিই গেছে বিজেপি-র দখলে। আর এতে স্পষ্টত খুশির জোয়ার গেরুয়া শিবিরে। বিজেপির এই সাফল্যের জন্য ভোটারদের শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় বাবুল সুপ্রিয়ের সাংসদ পদে ইস্তফা এবং অর্জুন সিংয়ের দল বদলে লোকসভায় যে ক্ষতির মুখে পড়েছিল পদ্ম শিবির, সেই দুঃখ মুছিয়ে দিল যোগী রাজ্য। অখিলেশের সমাজবাদী পার্টির দখলে থাকা দুই লোকসভা আসন ছিনিয়ে নিল গেরুয়া শিবির। উপনির্বাচনে বেকারত্ব, অসহিষ্ণুতা, মুল্যবৃদ্ধি, অগ্নিপথের মতো ইস্যুকে তুলে ধরতে পিছপা হয়নি অখিলেশ যাদবের দল। কিন্তু রবিবার ফল প্রকাশের পর দেখা গেল সমাজবাদী পার্টির দখলে থাকা রামপুর ও আজমগড় কেন্দ্রে রমরমা পদ্মফুলের। দু’টি আসনই সমাজবাদী পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে আজমগড় থেকে জয়ী হয়েছিল অখিলেশ। রামপুর থেকে লোকসভায় গিয়েছিলেন দলের আরেক হেভিওয়েট আজম খান। বর্তমানে জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দিতে জার্মানিতে গেছেন প্রধানমন্ত্রী। দলের সাফল্যে এক টুইট বার্তায় মোদী উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে রামপুর ও আজমগড় লোকসভা কেন্দ্রে দলের জয়কে গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যা দেন। জয়ের পিছনে দলীয় কর্মী ও নেতৃ্ত্বের অবদান তুলে ধরে তাঁদের শুভেচ্ছাও জানান। আজমগড় ও রামপুর আসন সমাজবাদী পার্টির হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারের তত্ত্ব তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। উন্নয়নের স্বার্থে ডবল ইঞ্জিন সরকার যে প্রয়োজন, ভোটাররা তা প্রমাণ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। নিজেদের জেতা আসনে ভরাডুবির পর স্পষ্টত হতাশ অখিলেশ শিবির। গত লোকসভা নির্বাচনে আজমগড় কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন অখিলেশ যাদব। বিধানসভা নির্বাচনে এই লোকসভা কেন্দ্রের ১০ বিধানসভা আসন দখল করেছিল সমাজবাদী পার্টি। তা সত্বেও বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাসের যেতে না যেতেই এই ফল নিয়ে সমাজবাদী পার্টির অন্দরেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন। তবে কী অখিলেশের জনপ্রিয়তা কমছে, উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। আজমগড়ে হারের পিছনে যাদব ভোট ভাগাভাগির তত্বও তুলে ধরছেন কেউ কেউ। উপনির্বাচনে ধর্মেন্দ্র যাদবকে প্রার্থী করেছিল অখিলেশের দল। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী করেছিল ভোজপুরি তারকা দীনেশ লাল যাদবকে। ২০১৯ সালেও অখিলেশের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী করেছিল ভোজপুরি তারকাকে। কিন্তু অখিলেশের ক্যারিশ্মার ধারেকাছে ধর্মেন্দ্র না থাকায়, এই হার বলে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে যাদব ও মুসলিম ভোটই সমাজবাদী পার্টির মূল ভরসা। সেখানে আজমগড়ে মায়াবতীর (Mayawati) বিএসপি মুসলিম প্রার্থীকে দাঁড় করায়। একদিকে যাদব এবং অন্যদিকে মুসলিম ভোট কাটাকাটি হওয়াকেও হারের মূল কারণ হিসেবে মনে করেছেন দলের কেউ কেউ। তবে, উপনির্বাচনের ফলাফলে অ্যাডভান্টেজ বিজেপির। কেননা, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে সরাসরি জেতাতে ২ শতাংশ ভোট এখনও প্রয়োজন বিজেপির। ওয়াকিবহাল অংশের মতে, উপনির্বাচনের ফল সেই কাঙ্খিত লক্ষ্যের অনেক কাছকাছি এনে দিল গেরুয়া শিবিরকে।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/6OHqNim
via IFTTT

No comments:

Post a Comment