মুকুট আগেই মাথায় উঠেছিল। এবার সেই মুকুটে নতুন পালক যোগ হল। যখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আইএমএফ) ওয়ালের জন্য প্রাক্তন মুখ্য অর্থনীতিবিদ হিসেবে গীতা গোপীনাথকে নির্বাচন করা হল। ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানিবাসী অর্থনীতিবিদ গীতা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ডেপুটি ম্যানেজার পদে প্রথম মহিলা হলেন গীতা। ফলে ইতিহাস তখনই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু আইএমএফ-এর নক্ষত্রখচিত ওয়ালে সেরা অর্থনীতিবিদদের মধ্যে নিজের ফটো প্রদর্শনের ঘটনা আপ্লুত করেছে গীতাকেও। এবং তিনি তাঁর খুশি, উচ্ছ্বাস কোনওটাই লোকাননি। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে খবরটি শেয়ার করে জানিয়েছেন, ‘ট্রেন্ড ভেঙে আইএমএফ-এর প্রাক্তন মুখ্য অর্থনীতিবিদদের দলে আমিও যোগ দিলাম!’ এমনিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে যোগদানের পর থেকেই গীতার কাজকর্ম উচ্চভাবে প্রশংসিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর Kristalina Georgieva-র মতে, এই কঠিন আর্থিক সময়ে গীতার কাজ আইএমএফ-এর কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেছে। গীতার পরিকল্পনা, তার বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক কৌশল, সমস্ত কিছুই আলাদা কৃতিত্বের দাবি রাখে বলে জানাচ্ছেন Kristalina Georgieva। বিশেষত কোভিড অতিমারি, রাশিয়া-ইউক্রেনের আগ্রাসনের মতো একের পর এক ঘটনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতির মূল কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দিয়েছে। Read More: এমনিতে গীতা বিশ্ব অর্থনীতিবিদ মহলে পরিচিত এবং নামজাদা মুখ। এখানে বলে রাখা ভাল যে, গীতার সঙ্গে কলকাতার একটি যোগ রয়েছে। কারণ, 1971 সালে গীতার জন্ম হয়েছিল এই শহরেই! যদিও তাঁর বড় হয়ে ওঠা কর্ণাটকের মাইসোরে। তবে কেউ যদি ভেবে থাকেন যে গীতা সবসময় মুখ গুঁজে পড়তেন, তা হলে তিনি ভুল ভাববেন। কারণ, খেলাধুলোর পাশাপাশি গীতা ফ্যাশন শো-তেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। ফলে বহুমুখী উৎসাহ ছিল তাঁর। তবে কখনওই পড়াশোনার পথ থেকে বিচ্যুত হননি। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কখনওই গীতার পরিবারের তরফে তাঁর উপরে পড়াশোনা চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। নম্বর-দৌড়ের রাজত্বে যা ব্যতিক্রমীও বটে। এবং এ কথা বলেছেন গীতার বাবা, টিভি গোপীনাথ। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, 7 ক্লাস পর্যন্ত গীতা 45 শতাংশ স্কোর করতেন পরীক্ষায়। তারপরই হঠাৎ ভোলবদল হয়। তারপর থেকে 90 শতাংশ স্কোর করতে থাকেন গীতা। টিভি গোপীনাথের কথায়, ‘‘যদিও আমি কখনওই পড়াশোনার জন্য গীতার উপরে চাপ দিইনি বা কোনও কঠোর বিধিনিষেধ চাপাইনি। ওর বন্ধুরা বাড়িতে আসত, থাকত। একসঙ্গে পড়াশোনার পাশাপাশি ওরা সমানভাবে খেলাধুলোও করত।’’ Read More: স্কুলের পড়াশোনা শেষের পরে গীতা মাইসোরে Mahajana PU college-এ বিজ্ঞান নিয়ে ভর্তি হয়েছিলে ন। তারপরে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিসিন নিয়ে পড়াশোনা করবেন বলে ঠিক করেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য অর্থনীতিতে বিএ অনার্সে যোগ দেন।
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/EDRGYpc
via IFTTT
No comments:
Post a Comment