'ভারত নয়, মনে হচ্ছে চিন‌ই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে', সপাট জবাব জয়শংকরের - onlinewebsite24

Saturday, August 20, 2022

'ভারত নয়, মনে হচ্ছে চিন‌ই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে', সপাট জবাব জয়শংকরের

মিষ্টি কথার চালে ভারতকে মাত দেওয়ার চেষ্টা করছে চিন। এমনটাই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের। তবে ড্র্যাগনল্যান্ডের এই চালের পালটা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রীও (External Affairs Minister)। এস জয়শংকরের () সপাট জবাব, "আমার তো মনে হচ্ছে, ভারত নয় চিনই বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।" ভারতের থেকে বড় এবং শক্তিশালী দেশ হয়ে চিনের এই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা ইতিবাচক নয় বলেও কটাক্ষ করেছেন জয়শংকর। ভারতকে মিষ্টি কথার জালে ফাঁসাচ্ছে চিন? আচমকাই কিছুটা সুর নরম করল চিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের (External Affairs Minister S Jaishankar) কথার সমর্থন করতে দেখা গেল বেজিংকে (Beijing)। একের পর এক আগ্রাসী মনোভাবের জেরে গত কয়েকদিন ধরেই ড্রাগনল্যান্ডের উপর কূটনৈতির স্তরে চাপ বাড়াচ্ছিল নয়াদিল্লি (Delhi)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, সেই চাপের জেরেই সুর বদলাতে বাধ্য হয়েছে চিন। তবে এর প্রভাব সীমান্ত সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কতটা পড়বে, তা নিয়ে সন্দিহান তাঁরা। কারণ বরাবরই ‘মুখে এক আর কাজে আর এক’ করতে দেখা গিয়েছে শি জিনপিংয়ের দেশকে। বিদেশমন্ত্রীর একের পর এক তীক্ষ্ণ মন্তব্য ব্যাঙ্ককে একটি আলোচনা সভায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishankar) বলেছিলেন, “বর্তমান সময়ে ভারত ও চিনের সম্পর্ক অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।” এরপরই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেয় বেজিং। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, “ভারত ও চিন প্রাচীন সভ্যতার দেশ। তাই এই দুই রাষ্ট্রে উন্নয়ন না হলে এশিয়ার উন্নতি সম্ভব নয়। বর্তমান সময়ে দুই দেশেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটছে। আমাদের মধ্যে মত পার্থক্যের তুলনায় মতানৈক্যের সংখ্যাই বেশি।” উন্নয়নের জন্যে বিরুদ্ধাচরণের বদলে দুই দেশ হাত ধরাধরি করে চলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জয়শংকর আরও বলেছিলেন, “সীমান্ত সমস্যা না মিটলে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া সম্ভব নয়।” বিদেশমন্ত্রী জয়শংকরের করা কয়েকটি মন্তব্য ইঙ্গিত করছে, বেজিংয়ের বিরুদ্ধে বড়সড় আর্থিক নিষেধাজ্ঞার রাস্তায় হাঁটতে পারে নয়াদিল্লি। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, “ভারত তার অবস্থানে অটল রয়েছে। চিন (China) যদি সীমান্তে শান্তিভঙ্গের চেষ্টা করে তবে তার প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কের উপরেই পড়বে। বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই। যতক্ষণ না সীমান্ত সমস্যা (Indo China Problem) মিটছে তা স্বাভাবিক হওয়া সম্ভবও নয়।” পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রীর আরও দাবি, “এলএসি (LAC) সংলগ্ন এলাকা থেকে পিএলএ-কে (PLA) সরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওই জায়গায় মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী।”


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/uhbP9Y5
via IFTTT

No comments:

Post a Comment