এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শুষ্ক আবহাওয়া বাড়াচ্ছে অস্বস্তি। গতকাল আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। আজ দুই বঙ্গেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাত হয়েছে রাজ্যজুড়ে। কিন্তু বাড়ছে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি। সূত্রের খবর, পাঞ্জাব থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা।এই অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমের উপর দিয়ে গিয়েছে। ফলে রাজ্যে প্রবেশ করছে প্রচুর জলীয় বাষ্প। সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে দুই বঙ্গেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের উত্তর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদের রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরেও হতে পারে বৃষ্টি।শনিবার শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল সর্বোচ্চ ৯১ শতাংশ। আলিপুর জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মৌসুমী অক্ষরেখা খুব একটা সক্রিয় নয়। দুই বঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি কমতেই ধীরে ধীরে আরও বাড়বে তাপমাত্রা। ইন্ডিয়া মেটেরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (IMD) তরফে জানানো হয়েছে, এবছর স্বাভাবিক বর্ষাই হবে দেশে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয় বর্ষা। এই সময়কালে স্বাভাবিক হবে বর্ষা। জানা যাচ্ছে, এই নিয়ে টানা তিনবছর দেশে স্বাভাবিক হতে চলেছে বর্ষা। আর্থ সায়েন্সেস মন্ত্রকের সচিব এম রাজীবন বলেন, 'আমাদের সকলের জন্য ভালো খবর। কারণ এবছর বর্ষা স্বাভাবিক হতে চলেছে।'আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে জুন থেকে সেপ্টেম্বরে ৯৮ শতাংশ বৃষ্টি হতে পারে।উল্লেখ্য, করোনার লকডাউনের ধাক্কায় দেশের অর্থনীতি কার্যত ধুঁকছে। এই অবস্থায় বর্ষা স্বাভাবিক হলে দেশে কৃষিকাজে উপকার হবে। কৃষিপ্রধান দেশের অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে তাহলে। কয়েকদিন আগে বেসরকারি সংস্থা স্কাইমেটও জানিয়েছিল, এবার বর্ষা হবে ১০৩ শতাংশ।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3wX52BO
via IFTTT
No comments:
Post a Comment