শোভনদেব পুত্রের কণ্ঠে অভিমানের সুর! টুইট ঘিরে জল্পনা - onlinewebsite24

Friday, November 26, 2021

শোভনদেব পুত্রের কণ্ঠে অভিমানের সুর! টুইট ঘিরে জল্পনা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: 'আত্মত্যাগ করতে বলার সময় ওঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু, আত্মত্যাগ করার পর ওঁরা বলল, এখনও সময় হয়নি।' তৃণমূলের পুর প্রার্থী ঘোষণার পর এমনই টুইট করলেন শোভনদেব পুত্র সায়নদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘এই কাহিনী থেকে একটাই শিক্ষা নিলাম। নিজের সময় আসা অবধি অন্যদের জন্য হাততালি দিয়ে যেতে হয়।' ১৯ নভেম্বর কলকাতার পুরভোট। শুক্রবারই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে রাজ্যের শাসক দল। দেখা গিয়েছে, ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার সহ রাজ্যের ছ’ জন বিধায়ককে কাউন্সিলর হিসেবে টিকিট দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়কেও ৮৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রার্থী হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন জোড়াফুল শিবিরের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীদের পরিজনেরা। রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের স্ত্রী কাকলি সেনকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে সৌরভ বসু, মন্ত্রী শশী পাঁজার মেয়ে পূজা পাঁজা, স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহাও টিকিট পেয়েছেন। এদিকে সদ্য প্রয়াত রাজ্যের বর্ষীয়ান রাজনীতিক তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমা চট্টোপাধ্যায়কেও টিকিট দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তারক সিং সহ তাঁর ছেলে ও মেয়েও টিকিট পেয়েছেন। তাঁরা রাজনীতির মঞ্চে আগেও এসেছেন। কিন্তু, সরাসরি তৃণমূলের সংগঠন সামলালেও, প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাননি শোভনদেবের পুত্র সায়নদেব চট্টোপাধ্যায়। এহেন পরিস্থিতিতে তাঁর টুইটকে ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কোন প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন সায়নদেব, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর থেকে জয়ী হয়েও তাঁর আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রীর জন্য। অন্যদিকে, এদিন প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘আপাতত কাউন্সিলার হিসাবে লড়াই করি। মেয়র হব কিনা দল ঠিক করবে। দল যা দায়িত্ব দেবে সেটাই মেনে চলব।’ কাউন্সিলরের তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর শান্তনু সেন বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক ইঞ্চি খারাপ লাগা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বলেন রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে থাকতে তা করব। আমি দলের অনুগত সৈনিক। কলকাতায় ১৪৪-০ ফল হবে।' প্রার্থীপদ পাওয়ার পর এই সময় ডিজিটাল-কে মালা রায় বলেন, 'খুবই ভালো লাগছে। গত ২৫ বছর ধরে আমি কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করছি। মানুষের জন্য কাজ করতে ভালো লাগে। আমার একটা সইয়ে মানুষের সাহায্য হয়। সেটা দেখে খুবই ভালো লাগে। এভাবেই কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করব।' সংবাদমাধ্যমকে অতীন ঘোষ বলেন, '১৯৮৫ সাল থেকে ওয়ার্ডে কাজ করছি। আমি প্রতিদিনের ওয়ার্ডের অফিসে বসি। মানুষের সমস্যা শুনি। আমি পরিশ্রম করতে ভালোবাসি। করোনা কিংবা আমফানের সময় রোদ, জল, ঝড় পরিস্থিতিতে কাজ করেছি। আজ দেশের মধ্যে শুধুমাত্র ত্রিস্তরীয় নজরদারি ব্যবস্থা রয়েছে। পুরসভা আধুনিকতর প্রক্রিয়ায় কাজ হচ্ছে।'


from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/3FQ8mT5
via IFTTT

No comments:

Post a Comment