এই সময় ডিজি টাল ডেস্ক: সাত বছরের প্রেম ফিরে পেতে ভালোবাসার মোড়ে ধরনায় বসলেন যুবক। পোস্টার হাতে ধরনায় বসে বুঝিয়ে দিলেন, 'ভালোবাসাকে না নিয়ে বাড়ি ফিরব না।' যদিও আদতে হল একেবারে উল্টোটা। পুলিশ ডেকে যুবককে পাড়া ছাড়তে বাধ্য করল 'প্রেমিকা'! শনিবার এমনই ঘটনা ঘটল শিলিগুড়ির থানা এলাকার ভালবাসা মোড়ে। যা ঘিরে শোরগোল শুরু হয় এলাকায়। জানা গিয়েছে, নিজের 'প্রেম' ফিরে পেতে সেখানেই ধরনায় বসেছিলেন মনোজ মন্ডল নামের ওই যুবক। দেবীডাঙ্গার বাসিন্দা মনোজের দাবি, একমাস আগে ওই এলাকারই এক যুবতীর সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। অভিযোগ, বিয়ের পরেই যুবতীকে তাঁর বাড়ির লোক ফিরিয়ে আনে। এরপরই শনিবার যুবক পোস্টার হাতে নিয়ে যুবতীর বাড়ির সামনে ধরনায় বসেন। যদিও শেষমেষ যুবতীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এলাকায় আসে। যুবককে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন মনোজ মন্ডল জানান, একমাস আগে যুবতীর সম্মতিতে বিয়ে হয় দু'জনের। কিন্তু, এরপর আচমকাই প্রেমিকার পরিবার তাঁকে ফিরিয়ে আনে। যুবকের কথায়, 'গত সাত বছর ধরে প্রেম করেছি। কিন্তু, হঠাৎ করে কেন এমন করা হল। কেন? সেই জবাব চাই। আমার ভালোবাসাকে ফেরত চাই।' অন্যদিকে, যাঁকে মনোজ প্রেমিকা বলে দাবি করছেন তিনি বলেন, 'আমাকে জোর করে বিয়ে করা হয়েছিল। কোনওমতেই বিয়ের জন্য রাজি ছিলাম না। ওই যুবকের সঙ্গে থাকব না বলেই নিজের বাড়িতে চলে আসি।' তবে এদিন দিনভর যুবকের ধরনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। বাদানুবাদও শুরু হয় বলে খবর। শেষে যুবতীর পরিবার ও প্রতিবেশীরা NJP থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যুবকে থানায় নিয়ে যায়। তবে তাঁকে পরে ছেড়ে দেওয়া হয় বলেই জানা গিয়েছে। গোটা ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষ বলে খবর। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসেও স্ত্রীকে ফেরাতে মনোজের মতোই ধরনায় বসেছিলেন আরও এক স্বামী। সে সময় জানা গিয়েছিল, পারিবারিক অশান্তির কারণে বাপের বাড়িতে চলে এসেছিলেন তাঁর স্ত্রী। বিষয়টি গড়িয়েছিল আদালত অবধি। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সাত বছরের দাম্পত্যকে বাঁচাতে শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছিলেন জামাই দেবদুলাল দাস। তাঁর দাবি ছিল, 'ফিরে চলো অপর্ণা।' বউ আর ছেলেকে বাড়ি ফেরাতে মরিয়া হয়েছিলেন তিনি। ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল সেই বারও।
from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/3JQrKCl
via IFTTT
No comments:
Post a Comment