() ও () ঠেকাতে গাছ লাগানোর কথা আমরা শুনেছি। পাশাপাশি, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, পেট্রল ও ডিজেলে চলা গাড়ির ব্যবহারও যথাসম্ভব কম করা উচিত বলে লাগাতার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু, একটি নতুন সমীক্ষায় বিশ্বব্যাপী এই সমস্যা সমাধানের সম্পূর্ণ নতুন এক দাওয়াই দিয়েছেন গবেষকরা। তাঁদের পরামর্শ, গোটা দুনিয়ায় খাদ্য হিসেবে মাংসের ব্যবহার অন্তত ৭৫ শতাংশ কমাতে হবে। তাহলেই নাকি বাগে আসবে আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনা! সবথেকে ভালো হয় যদি রোজের খাদ্যতালিকা থেকে পাকাপাকিভাবেই বাদ দেওয়া যায়। পরিবেশবিদ ও গবেষকদের একাংশ বলছেন, মাংসের ব্যবসা বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও জলবায়ুর উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। গত কয়েক দশকে মানুষের খাদ্য হিসেবে মাংসের চাহিদা মারাত্মক হারে বেড়ে গিয়েছে। বস্তুত, মানুষের যতটুকু প্রয়োজন, তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণে মাংস খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশের উপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলেই দাবি করেছেন সমীক্ষকরা। জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মার্টিন কোয়াইম এই প্রসঙ্গে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাসিন্দারা যে পরিমাণ মাংস খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেন, গোটা পৃথিবীর প্রত্যেক বাসিন্দা যদি ততটা করেই মাংস খান, তাহলে আমাদের চারপাশের পরিবেশ মুহূর্তে বদলে যাবে। এবং গোটা পৃথিবীতেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর বিরাট পরিবর্তন ঘটবে। বস্তু, পরিবেশের ভারসাম্যই নষ্ট হয়ে যাবে। সমস্যা সমাধানে মার্টিনের দাওয়াই হল, আমরা বর্তমানে সারা বছর যে পরিমাণ মাংস খাই, তা অবিলম্বে অন্তত অর্ধেকে নামিয়ে আনা উচিত। আপাতত বছরে মাথা পিছু সর্বাধিক ২০ কিলোগ্রাম মাংস খাওয়া যেতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, গোটা পৃথিবীতে মাংস খাওয়ার পরিমাণ অন্তত ৭৫ শতাংশ কমাতে পারলে তা আমাদের স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ, দুটি ক্ষেত্রেই সহায়ক হবে। আগামী দিনে সমাজও এর থেকে উপকৃত হবে। এই মুহূর্তে উত্তর আমেরিকা, ওশিয়ানিয়া এবং ইউরোপের দেশগুলিতে মাথাপিছু সবথেকে বেশি মাংস খাওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের হিসাব বলছে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত পৃথিবীতে লাগাতার মাংসের চাহিদা বাড়বে। মাংস বেশি খেলে শরীরে অনেক রোগ বাসা বাঁধে। এই ধ্রুব সত্যি জানার পরও এই চাহিদায় লাগাম পরানো সম্ভব নয়। তুলনায় খেলে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকে, তেমনই পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখাও সহজ হয়। যদিও বিশেষজ্ঞদের অন্য একটা অংশ এর সঙ্গে সহমত নন। তাঁদের মতে, মানব শরীরে নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রাণীজ প্রোটিনের প্রয়োজন আছে। তাছাড়া, তৃণভোজী প্রাণীর সংখ্যা মারাত্মক হারে বেড়ে গেলেও অরণ্য ও বনভূমি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/kiwBShA
via IFTTT
No comments:
Post a Comment