সমুদ্রের জল থেকে তৈরি হচ্ছে বিয়ার, অসাধ্য সাধনে কুর্নিশ সুরাপ্রেমীদের! - onlinewebsite24

Tuesday, May 24, 2022

সমুদ্রের জল থেকে তৈরি হচ্ছে বিয়ার, অসাধ্য সাধনে কুর্নিশ সুরাপ্রেমীদের!

সামুদ্রিক ইস্ট থেকে তৈরি হবে বিয়ার! সারা বিশ্বজুড়ে পানীয়প্রেমীদের জন্য সুখবর। অসম্ভবকে ইতিমধ্যেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার বিজ্ঞানী পিটার পুসকারিচ ( Peter Puskaric)। পেশায় ইকোলজিকাল ইঞ্জিনিয়ার পিটার। তিনিই এই অত্যাশ্চর্য কাজ করে দেখিয়েছেন। চমকে গিয়েছে সারা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই হইচই চলছে চারিদিকে। কী নাম দেওয়া হয়েছে ওই বিয়ারের? সি কিউকাম্বার ( Sea Cucumber)। এই নামেই আপাতত ক্রোয়েশিয়ায় বিক্রি করা হচ্ছে ওই বিয়ার। কী ভাবে তৈরি করা হয়েছে? পদ্ধতি জানলে রীতিমত চমকে উঠতে হয়। সমুদ্রের জলে থাকে ইস্ট। সেই ইস্টকে জল থেকে আলাদা করে নিয়ে সেই ইস্টের থেকেই তৈরি করা হয়েছে বিয়ার। তবে পিটার পুসকারিচ ( Peter Puskaric) একা নন। তাঁর সঙ্গে সাহায্য করেছেন, তাঁর মেন্টর মারিন ওরদুলজ ( Marin Ordulj)। দুজনে মিলে তৈরি করেছেন এই বিয়ার। কিন্তু কী ভাবে এই অসাধ্য সাধন হল? মুখ খুলেছেন ওরদুলজ। তাঁর কথাতেই জেনে নেওয়া যাক। Read More: ওরদুলজের মতে পুরো বিষয়টা শুরু হয়েছিল মাইক্রোবায়োলজির একটি লেকচারের পর৷ সেই লেকচার ছিল সামুদ্রিক ইস্ট নিয়ে। ইস্টের কার্যকারীতা নিয়ে কথাবার্তা ছিল পুরোদমে। তবে এখানে একটি মজার বিষয়ও আছে। ওরদুলজ জানতেন, তাঁর পিটার বিয়ার খেতে ভালোবাসেন। সেখান থেকেই কথায় কথায় ইস্ট থেকে বিয়ার তৈরির বিষয়টা আসে। এরপরেই বিয়ার তৈরির কাজে লাগেন ওই জুটি। টানা চার বছর ধরে এই কাজ চলার পর অবশেষে শেষ হয় বিয়ার তৈরির কাজ। Read More: তবে বিয়ার তৈরির কাজ মোটেই সহজ হয়নি। বিয়ার তৈরির জন্য লেগেছে বড় রকমের ফান্ড। গবেষণার পিছনে খরচ হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা। এখনও পর্যন্ত 40 বোতল বিয়ার তৈরি করেছে ওই জুটি। তবে এখানে থামার ইচ্ছা নেই তাঁদের। ভবিষ্যতে আরও বিয়ার তৈরির ইচ্ছা তাঁদের। তবে অন্তরায় ফান্ড। পরবর্তী গবেষণার জন্য আরও ফান্ড দরকার। সমুদ্রের জল থেকে তৈরি হওয়া বিয়ার পরবর্তীকালে সম্পূর্ণভাবে কি বদলে দেবে সুরাপ্রেমীদের দুনিয়া? এখন দেখার বিয়ার তৈরির জন্য পর্যাপ্ত ফান্ড এই জুটি পায় কিনা?

Read More:



from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/SfLOtBM
via IFTTT

No comments:

Post a Comment